video link: https://youtu.be/9f3_sUIA8V8
দিনটি ছিলো শুক্রবার এবং ৪-৬-২২ ইং। রাতে ইশার নামাজ পরে আসে বসেছি এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো। ফোন টা ধরে সালাম দিলাম। লোকটি সালাম নিলো আর জিঞ্জাসা করলো...
জনাবঃ তুমি কি শাহ আতিক ঊল্লাহ?
আমিঃ হ্যা, বলছি।
জনাবঃ তোমার জাতীয় প্রতিযোগিতা কবে?
আমিঃ ৬ তারিখ।
জনাবঃ এই গুজবটা কে যে রটিয়েছে! শুনো, তোমাদের প্রতিযোগিতা ৫ তারিখ সকাল ৯ টায় T.T.C তে হবে।
আমিঃ চমকে গেলাম, আচ্ছা স্যার।
উনার পরিচয় টা শুনেছিলাম, কিন্তু মনে নাই।
এর পরের দিনে, সকাল ১০ টায় বাসার দিকে রওনা দিলাম। আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটি নেয়ার সময় পাই নাই। আর এই প্রতিষ্ঠানকে বলা বারণ, কারণ আমি আমার আগের প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগী হয়ে গিয়েছি।
এর পর সব কাজ শেষ করে ৯ তারিখে আমার প্রতিষ্ঠানে গেলাম, একটা মিথ্যা আবেদন নিয়ে। যেখানে কারণ হিসেবে উল্লেক্ষ করে ছিলাম, আমার দাদু হজ্জ এ যাবে তার সাথে দেখা করতে যাবো। যদিও সে কারণ টি সত্য ছিলো। শ্রেণি শিক্ষক আমাকে উপধ্যাক্ষের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে বললেন। আমি গেলাম উনার ঘরে। গিয়ে দেখি উনি অনেক ব্যাস্ত। একজন পিয়ন বললেন, উপধ্যাক্ষ অনেক ব্যাস্ত তুমি পরে আসিও। আমি আবার গেলাম শ্রেণি শিক্ষক এর কাছে বললাম হুজুর অনেক ব্যাস্ত, উনি বিশ্বাস করলেন না। এর মাঝে কিছু ছাত্রী, স্বাক্ষর নিয়ে আসলো। কিভাবে আসলো কিছুই বুজলাম না। শ্রেণি শিক্ষক এর কাছে আরো বেশি মিথ্যুক হয়ে গেলাম। আবার ও গেলাম, গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষা করলাম, তারপর উপধ্যাক্ষের দেখা পেলাম। উনাকে বললে উনি আমার কোনো কোথা না শুনে বললেন জরিমানা দিতে। আমি অনুরধ করেছিলাম, উনি শুনলেন না। আমরা অভিভাবক এর সাথে কথাও বললেন না। আমি বাধ্য হয়ে ৫ দিনের ২৫০ টাকা জরিমানা দিলাম। এর পর যখন জরিমানার রশিদ শ্রেনি শিক্ষক কে জমা দিলাম তখন উনি আমাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করলেন। উনার কথার জবাব দেয়ার মতো আমার ভাষা নাই। যাই করুক, শিক্ষক তো উনি। তাই সব মাথা পেতে নিয়েছি।
জরিমানা দিয়ে একটু খারাপ লেগেছিলো কিন্তু এর থেকে বেশি খারাপ লেগেছিলো যখন আমাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো। অনেক খারাপ লেগেছিলো তখন। আমি হয়তো আবেদনের আসল কারন বলি নাই। উনি আমাকে এটার জন্য প্রতারক বলেন নাই। উনি ভেবেছিলো আমি উপধ্যাক্ষের কাছে না গিয়ে উনাকে মথ্যা বলেছি........


