Thursday, June 9, 2022

মিথ্যা আবেদন

 


video link:  https://youtu.be/9f3_sUIA8V8


দিনটি ছিলো শুক্রবার এবং ৪-৬-২২ ইং। রাতে ইশার নামাজ পরে আসে বসেছি এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো। ফোন টা ধরে সালাম দিলাম। লোকটি সালাম নিলো আর জিঞ্জাসা করলো...

জনাবঃ  তুমি কি শাহ আতিক ঊল্লাহ?

আমিঃ হ্যা, বলছি।

জনাবঃ তোমার জাতীয়    প্রতিযোগিতা কবে?

আমিঃ ৬ তারিখ।

জনাবঃ এই গুজবটা কে যে রটিয়েছে! শুনো,  তোমাদের প্রতিযোগিতা ৫ তারিখ সকাল ৯ টায় T.T.C তে হবে।

আমিঃ চমকে গেলাম, আচ্ছা স্যার।

 উনার পরিচয় টা শুনেছিলাম,  কিন্তু মনে নাই।


এর পরের দিনে, সকাল ১০ টায় বাসার দিকে রওনা দিলাম। আমার প্রতিষ্ঠান থেকে ছুটি নেয়ার সময় পাই নাই। আর এই প্রতিষ্ঠানকে বলা বারণ, কারণ আমি আমার আগের প্রতিষ্ঠানের প্রতিযোগী হয়ে গিয়েছি।



এর পর সব কাজ শেষ করে ৯ তারিখে আমার প্রতিষ্ঠানে গেলাম,  একটা মিথ্যা আবেদন নিয়ে।  যেখানে কারণ  হিসেবে উল্লেক্ষ করে ছিলাম, আমার দাদু হজ্জ এ যাবে তার সাথে দেখা করতে যাবো। যদিও সে কারণ টি সত্য ছিলো। শ্রেণি শিক্ষক আমাকে উপধ্যাক্ষের কাছ থেকে স্বাক্ষর নিয়ে আসতে বললেন। আমি গেলাম উনার ঘরে। গিয়ে দেখি উনি অনেক ব্যাস্ত। একজন পিয়ন বললেন,  উপধ্যাক্ষ অনেক ব্যাস্ত তুমি পরে আসিও। আমি আবার গেলাম শ্রেণি শিক্ষক এর কাছে বললাম হুজুর অনেক ব্যাস্ত,  উনি বিশ্বাস করলেন না। এর মাঝে কিছু ছাত্রী,  স্বাক্ষর নিয়ে আসলো। কিভাবে আসলো কিছুই বুজলাম না। শ্রেণি শিক্ষক এর কাছে আরো বেশি মিথ্যুক হয়ে গেলাম। আবার ও গেলাম,  গিয়ে প্রায় ১০ মিনিট অপেক্ষা করলাম, তারপর উপধ্যাক্ষের দেখা পেলাম। উনাকে বললে উনি আমার কোনো কোথা না শুনে বললেন জরিমানা দিতে। আমি অনুরধ করেছিলাম, উনি শুনলেন না। আমরা অভিভাবক এর সাথে কথাও বললেন না। আমি বাধ্য হয়ে ৫ দিনের ২৫০ টাকা জরিমানা দিলাম। এর পর যখন জরিমানার রশিদ শ্রেনি শিক্ষক কে জমা দিলাম তখন উনি আমাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করলেন। উনার কথার জবাব দেয়ার মতো আমার ভাষা নাই। যাই করুক, শিক্ষক তো উনি। তাই সব মাথা পেতে নিয়েছি। 


জরিমানা দিয়ে একটু খারাপ লেগেছিলো কিন্তু এর থেকে বেশি খারাপ লেগেছিলো যখন আমাকে প্রতারক হিসেবে চিহ্নিত করেছিলো। অনেক খারাপ লেগেছিলো তখন। আমি হয়তো আবেদনের আসল কারন বলি নাই। উনি আমাকে এটার জন্য প্রতারক বলেন নাই। উনি ভেবেছিলো আমি উপধ্যাক্ষের কাছে না গিয়ে উনাকে মথ্যা বলেছি........



Tuesday, May 11, 2021

রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ......

 ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ

তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে, শোন আসমানী তাগিদ।
তোর সোনা-দানা, বালাখানা সব রাহে লিল্লাহ
দে যাকাত, মুর্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিঁদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদগাহে
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত-দুশমণ, হাত মেলাও হাতে,
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরিদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
যারা জীবন ভরে রাখছে রোজা, নিত্য উপবাসী
সেই গরীব ইয়াতীম মিসকিনে দে যা কিছু মুফিদ
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাগিদ।
ঢাল হৃদয়ের তশতরীতে শিরনি তৌহিদের,
তোর দাওয়াত কবুল করবেন হজরত হয় মনে উম্মীদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ।
তোরে মারল’ ছুঁড়ে জীবন জুড়ে ইট পাথর যারা
সেই পাথর দিয়ে তোলরে গড়ে প্রেমেরই মসজিদ।
ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ
আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন আসমানী তাগিদ

Monday, April 26, 2021

"হঠাৎ করে আতিকের ধোকা "

 হঠাৎ করে আতিকে


র ধোকা 


দুপুর বেলা খাওয়া করে ঘুমাবো এমন সময় হঠাৎ করেই ফোনটা বেজে উঠে আতিক বাবুর ফোন। ঘুম ভাঙা চোখে ফোনটা রিসিভ করলাম, তারপর আতিক বাবু বলে উঠল ভাই কেমন আছেন?

আমি বললাম, হ্যা ভাই ভালো। তুমি কেমন আছো?

তখন সেও মৃদু স্বরে বলে উঠল হ্যাঁ ভাই আমিও বেশ ভালোই আছি। তারপর সে অনুনয়ের সহিত বলল, ভাই বিকেল বেলা দেখা করতে পারবেন?

আমি বললাম,  কেন?

সে বলল এমনিতেই দেখা করব। তখন আমিও তার কথায় রাজি হয়ে গেলাম। এবার আসার পালা, ঠিক বিকেল ৪ঃ২০ মিনিটে আতিক কে ফোন দিলাম। আতিক তুমি কোথায়?

সে বলল এইতো বের হচ্ছি।

আমি বললাম আচ্ছা ঠিক আছে আসো তাহলে। তারপর আমি আবারও বললাম যে আতিক আমি কোথায় আসবো?

তখন আতিক বলল যে, বাংলা হাই স্কুলে আসে নামবেন।  তখন আমি একটু চিন্তিত হয়ে বললাম যে, এতগুলো জায়গা থাকতে বাংলা হাইস্কুলে কেন?  

তখন আতিক রসিকতা করে বলল আরে ভাই আগে আসেন তো। তার পর কথা হবে।।

অবশেষে চলে আসলাম, তারপরে সে যা দেখলাম সে তো এক অবাক করার মতো ঘটনা। এসে যা দেখতে পেলাম তা হচ্ছে এক মজার অনুষ্ঠান যার নাম হচ্ছে সাপ্তাহিক সাহিত্য আসর। অনুষ্ঠানটি যদিও প্রথমত ভালো লাগতেছিল কিন্তু থাকতে থাকতেই ক্লান্তি এসে পড়ে........




গল্পটি লেখা আর শেষ হলো না।।।।।।

Monday, April 12, 2021

অবহেলিত জিবনে পরিবেশের প্রভাব

 

এই সৃষ্টি জগতে আল্লাহ তা'আলা মানুষকে শ্রেষ্ঠ করে সৃষ্টি করেছেন। এরই মধ্যে রয়েছি ধনী-গরীব বিভিন্ন ধরনের মানুষ। আর এর ঐ কারণে সমাজে কেউ দাম পায়, আবার কেউ পায়। তারা কেন মূল্য পায় না?

তারা কি মানুষ নয়?

তারাও মানুষ।

হতে পারে তাদের যোগ্যতা কম অথবা তারা দরিদ্র পরিবারে জন্ম নিয়েছিল। তারাও মানুষ তাদের অধিকার আছে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করার, সমাজে  দুটি কথা বলার। তাদের কথায় সমাজ কেন মূল্য দেয় না?

তাদেরও তো অধিকার আছে সমাজের স্বাধীনভাবেই বেঁচে থাকার। তাহলে কেন তারা সমাজে অবহেলিত?

যদি আবার এতিমদের কথা বলি, তারা অসহায় তাদের উপর চোখ তুলে তাকানোর মত লোক সমাজে অনেক কম। অনেক সময় এমন হয়ে যায় যে তাদের মুখে দু'বেলা অন্ন তুলে দেওয়ার মতো লোক থাকে না। সবাই তাদের অবহেলা করে। উন্নত সমাজে তারা মূল্য পায় না। তারা পায় না আদর স্নেহ। তারা অনেক কষ্টের জীবন পরিচালনা করে। তাদের থাকেনা আবেদন শোনার মত মানুষ। আর এর কারণে তারা তাদের প্রতিভা প্রকাশ করতে পারে না। তারা পারেনা সমাজের সুবিধা ভোগ করতে। সমাজের পায়না ভালো স্থান। সবাই তাদের অবহেলা করে। তারা পারেনা উন্নত সমাজ এ দাড়াতে। পারে না নিজের মতামত প্রকাশ করতে। পৃথিবীতে তারা কি শুধু অবহেলার পাত্র?


তাদেরকে অধিকার নেই উন্নত পরিবেশে থাকার?

 তারাও তো মানুষ।

তাদের মা-বাবা না থাকার কারণে তারা এত অবহেলিত?

মনে রেখো হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন একজন এতিম। 

মিথ্যা আবেদন

  video link:  https://youtu.be/9f3_sUIA8V8 দিনটি ছিলো শুক্রবার এবং ৪-৬-২২ ইং। রাতে ইশার নামাজ পরে আসে বসেছি এমন সময় ফোনটা বেজে উঠলো। ফোন টা...